শনিবার,,,,,,,,,,,,,,
22/04/2019,,,,,,
অন্ধকার রুমে একটা ধাড়ে বসে আছে একটা লোক। হাতে ফোন, ফোনের আলোয় মুখটা খুব ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছে নাহ। সেই থেকে কয় একটা ছবি দেখেই যাচ্ছে।
নেভি-ব্লু রঙের হিজাব পরে রাস্তার এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে একটা মেয়ে। বিকেলের নরম রোদ এসে পড়েছে তার মুখের উপর, আর সেই আলোয় তাকে ঠিক আকাশ থেকে নেমে আসা কোনো শান্ত পরীর মতো লাগছে। মুখে লেগে আছে অদ্ভুত এক মায়াবী হাসি—যে হাসি দেখলে মনে হয় পৃথিবীর সব কষ্ট, সব দুঃখ, সব অন্ধকার মুহূর্ত এক নিমিষেই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। তার হাসির মাঝে এমন এক শান্তি আছে, যেন ক্লান্ত হৃদয়ের জন্য এক টুকরো আশ্রয়।
গোলাপি ঠোঁট দুটো একটু নড়লেই মনে হয় টাটকা গোলাপের পাপড়ি ঝরে পড়বে। সেই ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা হাসিটা এতটাই কোমল আর প্রাণবন্ত, যে আশেপাশের মানুষ না চাইলেও মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকবে। গরমের কারণে তার গাল দুটো হালকা লাল হয়ে আছে, যেন কেউ খুব যত্ন করে আলতো করে লাল আভা ছড়িয়ে দিয়েছে সেখানে। কপালের পাশে জমে থাকা ছোট ছোট ঘামের বিন্দুগুলোও তার সৌন্দর্যকে আরও বেশি জীবন্ত করে তুলেছে।
তার চোখ দুটো ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর সুন্দর। টানা টানা গভীর কালো চোখ, চারপাশে ঘন আর বড় বড় পাপড়ি। সেই চোখে একসাথে মায়া, শান্তি আর অদ্ভুত এক ধ্বংস লুকিয়ে আছে। কেউ যদি একবার সেই চোখের দিকে তাকায়, তাহলে হয়তো আর সহজে নিজেকে সামলাতে পারবে না। মনে হবে, এই চোখের মাঝেই কেউ ডুবে যেতে পারে অনন্তকালের জন্য।
মেয়েটার বাম হাতে ধরা ছিল অনেকগুলো রঙিন বেলুন। লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি—বিভিন্ন রঙের বেলুনগুলো বাতাসে দুলছিল, যেন তার হাতের সাথে সাথে স্বপ্নগুলোও উড়ছে। তার চারপাশে ছোট ছোট কিছু বাচ্চা ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ হাসছে, কেউ লাফাচ্ছে, কেউ আবার বেলুন পাওয়ার জন্য ছোট্ট হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর মেয়েটা একে একে সবার হাতে বেলুন তুলে দিচ্ছে।
প্রতিটা বেলুন দেওয়ার সময় তার মুখের হাসিটা আরও গভীর হয়ে উঠছিল। মনে হচ্ছিল, বাচ্চাগুলোর আনন্দ দেখেই সে নিজের ভেতরের সব ক্লান্তি ভুলে যাচ্ছে। সেই মুহূর্তে তাকে আর বড় কোনো মেয়ে মনে হচ্ছিল না। বরং মনে হচ্ছিল, সেও যেন তাদেরই একজন—একটা ছোট্ট নিষ্পাপ বাচ্চা, যে রঙিন বেলুন হাতে নিয়ে পৃথিবীর সব দুঃখ ভুলে শুধু হাসতে জানে।
চারপাশের কোলাহল, গরম হাওয়া, মানুষের ভিড়—সবকিছুর মাঝেও মেয়েটাকে দেখে মনে হচ্ছিল সে যেন অন্য এক জগতের মানুষ। এমন এক জগত, যেখানে দুঃখ নেই, কষ্ট নেই, আছে শুধু হাসি, মায়া আর একরাশ শিশুসুলভ আনন্দ। তার সেই মায়াবী হাসি আর টানা চোখ দুটো হয়তো অনেকের রাতের ঘুম কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর কাছে সে তখন শুধু এক টুকরো সুখের নাম।
এই মেয়েটার জন্য সব কিছু উলোট পালোট হয়ে গিয়েছে শুধু মাএ এই মেয়েটার জন্য। এই বছর কয় প্রতিটা রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে মেয়েটা। আগে না মরার ভয় হতো আর না কারোর হাড়িয়ে ফেলার ভয় হতো এখোন কেন হয়। আগে কাজে সব সময় ডুবে থাকতাম এখন কেন এই মেয়েটার মুখ ভাসে,কেন আমার শান্তিতে থাকতে দেয় নাহ। আমার রাত হয় এই মেয়েটার মুখ দেখে ঘুমের মাঝে ও ডিস্টার্ব করে আর সকাল ও হয় এই মেয়েটাকে দিয়ে কেন। কেন আমি বারবার লুকিয়ে দেখবো মেয়ে টাকে। কেন এক দেশ পেড়িয়ে মেয়েটাকে এক পলক দেখার জন্য ছুটে আসবো কে সেই মেয়ে। আমার ধ্বংসকারীনি। তাকে আমি কিছু তেই ছাড়বো নাহ পুড়ো পৃথিবীর পুড়িয়ে হলে ও তাকে নিজের করব.......... সোফায় বসে ভাবতে থাকে লোকটা
ব্যালকনির দরজা খোলা বাইরে অন্ধকার গভীর রাতের আভাস জানাচ্ছে। ঝড়ো হাওয়া হচ্ছে পর্দা গুলো খুব শক্তি নিয়ে উড়ছে। চাঁদের আলো আজ তার তেজ দেখিয়ে দিচ্ছে। দরজা খুলে একটা যুবক ভিতরে আসে" সিফান বেড়িয়ে পড়েছে, গাড়িতে যেই ট্রাকার দিয়ে ছিলাম সেটা এখন সেখ বাড়ি থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে আছে, এবার কি গাড়ি বেড় করবো ভাই"
আহাদের কথায় জেহেফিল শুধু মাথা নাড়ালো। উওর পেতেই আহাদ কাজে লেগে পড়লো। রাস্তার ফাঁকা বুকে গাড়ি খুব স্পিডে যাচ্ছে ম্যাট ব্ল্যাক মার্সিডিজ গাড়িটার আগে ৩ এবং পিছনে ৩ টে গাড়ি চলছে।
____________________________
Halke ujaalon mein
Halke andheron mein
Jo ik raaz hai
Kyun kho gaya hai woh
Kya ho gaya hai
Ki woh naraaz hai
Ae raat itna bata
Tujhko toh hoga pata
Aa haa…
Yeh hai gumraahon ka raasta
Muskaanein jhooti hai
Pehchaanein jhooti hai
Rangeeni hai chhayi
Phir bhi hai tanhaayi।
সিফান ড্রিঙ্ক করতে করতে গাড়ি চালাতে থাকে । বাম হাতে লিকার বতল আর ডান হাত দিয়ে ড্রাইভ করছে। আর মাঝে মাঝে গলা ছেড়ে গান গেয়ে উঠছে। গাড়ি চালাতে চালাতে হঠাৎ একটা গুলি এসে গাড়ির গ্লাস টা ভেঙে দেয়, হঠাৎ এই রকম হওয়ায় সিফান মাথা নিচু করে ফেলে। পাশের সিটের উপড়ে রাখা গান টা তুলে নেয়। গাড়ি র কাঁচ টা একটু খুলে এদিক ওদিক দেখতে থাকে কিন্তু অন্ধকারের জন্য কিছুই দেখতে পায় নাহ, লাস্ট পর্যন্ত দরজা খুলে বাড়ে বেড়িয়ে যায়।
সিফান বেড়িয়ে যেতেই কিছু লোক তার মুখে কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয় সাথে পিছন থেকে হাত বেঁধে দেয়। সিফান ছটফট করছে ছাড়া পাওয়ার জন্য কিন্তু পারছে নাহ। সিফান কে গাড়িতে তুলে সবাই গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে যায়।
Happy Reading ☺
To Be Continue 😅
https://www.facebook.com/share/14cgmMs45E7/