Mayador book and story is written by Rayhana Yasmin Ray in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. Mayador is also popular in Love Stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
মায়াডোর - উপন্যাস
Rayhana Yasmin Ray
দ্বারা
বাংলা Love Stories
কলমে : রায়হানা ইয়াসমিন রায়
কলেজের করিডোর দিয়ে দ্রুত পায়ে হেঁটে যাচ্ছে মেহুল।
হাতে ফিজিক্সের মোটা বই,পরনে সাধারণ সুতির সালোয়ার কামিজ। মেহুল ধবধবে ফর্সা নয় কিন্তু ওর মুখে আলাদা একটা মায়া আছে, মেহুল যখন হাসে তখন ওর গজদন্তি ও গালের টোল পড়ার দৃশ্যটা অপূর্ব সুন্দর।
কিন্তু আজ মেহুলের মুখে হাসি নেই, বরং চোখে একরাশ আতঙ্ক। কারণ আজ ফিজিক্সের ক্লাসে দেরি হয়ে গেছে, আর লেকচার থিয়েটারে স্বয়ং "আদ্রিয়ান চৌধুরী"।
মে আই কাম ইন, স্যার ? মেহুলের গলা ভয়ে শুকিয়ে এলো।
কলমে : রায়হানা ইয়াসমিন রায়কলেজের করিডোর দিয়ে দ্রুত পায়ে হেঁটে যাচ্ছে মেহুল।হাতে ফিজিক্সের মোটা বই,পরনে সাধারণ সুতির সালোয়ার কামিজ। মেহুল ধবধবে ফর্সা নয় কিন্তু ওর মুখে আলাদা একটা মায়া আছে, মেহুল যখন হাসে তখন ওর গজদন্তি ও গালের টোল ...আরও পড়ুনদৃশ্যটা অপূর্ব সুন্দর।কিন্তু আজ মেহুলের মুখে হাসি নেই, বরং চোখে একরাশ আতঙ্ক। কারণ আজ ফিজিক্সের ক্লাসে দেরি হয়ে গেছে, আর লেকচার থিয়েটারে স্বয়ং "আদ্রিয়ান চৌধুরী"।মে আই কাম ইন, স্যার ? মেহুলের গলা ভয়ে শুকিয়ে এলো।আদ্রিয়ান ঘড়ি না দেখেই গম্ভীর গলায় বলল —"টুয়েন্টি মিনিটস লেট, মিস শিকদার। তুমি কি কলেজের নিয়মগুলো তোমার বাড়িতে ফেলে এসেছো ? নাকি শিকদার বাড়ির অভিযাত্য তোমেক
কলমে : রায়হানা ইয়াসমিন রায়রাত তখন আড়াইটা কি তিনটে। পুরো বাড়ি নিঃশব্দতাই ডুবে আছে। মেহুল তখন আদ্রিয়নের পড়ার টেবিলে মাথা রেখে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।আদ্রিয়ান নিজের চেয়ার ছেড়ে ধীর পায়ে মেহুলের পাশে গিয়ে দাঁড়ালো। ল্যাম্পের হলদেটে আলোয় মেহুলের ঘুমন্ত মুখটা ...আরও পড়ুনবড় বেশিই মায়াবী লাগছে। আদ্রিয়ান কিছুক্ষন একদৃষ্টিতে সেই মুখের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো।তারপর খুব সাবধানে, যেন মেহুলের ঘুম না ভাঙে, ওকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিজের বিছানায় শুইয়ে দিল।মেহুলকে নিজের বিছানায় শুইয়ে দেওয়ার পর আদ্রিয়নের মনে হলো, ঘরের বাতাস যেন হঠাৎই ভারী হয়ে গেছে। বুঁকের ভেতর এক অদ্ভুদ অস্তিরতা আর তোলপাড়। নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়ে সে আর রুমে থাকলো
আজ মেহুলের এক্সাম। সারা রাত পড়ার পর ভোরের দিকে যখন ফজরের আজান দিল, মেহুল উঠে নামাজ পড়ে নিল। আজ আর ঘুমাল না, বরং নিচে নেমে গেল ফুফুকে সাহায্য করতে। আজ আদ্রিয়ানের আব্বু, **আফতাব চৌধুরী**, দীর্ঘ এক বছর পর সৌদি ...আরও পড়ুনথেকে বাড়ি ফিরছেন। শুধু আব্বু নন, আজ আদ্রিয়ানের একমাত্র ফুফু **রাবেয়া বেগম** উনার ছেলে আরান আর মেয়ে সারাকে নিয়ে আসছেন দাদাকে স্বাগত জানাতে। বাড়িতে আজ এলাহি কাণ্ড, খুশির আমেজ!সকাল সাতটা। মেহুল কিচেনে ফুফুকে আদা কুচিয়ে দিচ্ছিল, এমন সময় আদ্রিয়ান নিচে নামল। পরনে আজ একটা ধূসর রঙের টি-শার্ট আর ব্ল্যাক ট্রাউজার। এই ক্যাজুয়াল লুকেও লোকটাকে বড্ড বেশি সুন্দর লাগে—মেহুল আড়চোখে একবার
রাত তখন ১২টা ২৫। পুরো শহর ঘুমিয়ে পড়লেও আজ চৌধুরী বাড়িতে ঘুমের নামগন্ধ নেই। দীর্ঘ এক বছর পর বাড়ির কর্তা আফতাব চৌধুরী বিদেশ থেকে ফিরেছেন। সাথে একমাত্র আদরের বোন রাবেয়া বেগমও এসেছেন দাদাকে দেখতে। ড্রয়িং রুমে যেন চাঁদের হাট ...আরও পড়ুনমেজাজটাও বেশ ফুরফুরে সবার। আদ্রিয়ানের মা , আব্বু , ফুফু আর ফুফুর দুই ছেলে-মেয়ে সারা আর আরান মিলে গল্পের খই ফোটাচ্ছে। কিন্তু সেই আড্ডায় মেহুলের থাকা একদম বারণ। আদ্রিয়ানের কড়া শাসন— 'মেহুলের এখন আড্ডা দেওয়ার সময় নয়, এক্সাম চলছে তাই ওকে পড়তে হবে'।এদিকে আরাধ্যা আজ কোনোভাবেই মায়ের কাছে ঘুমাবে না, তার বায়না সে মেহুলের কাছেই ঘুমাবে। ডিনার শেষে যখন বিছানা
কলমে : রায়হানা ইয়াসমিন রায়..পর্ব : ০৫আজ মেহুল খুব তাড়াতাড়িই ঘুম থেকে উঠেছে। ভোরের আলো এখনো পরিষ্কার হয়ে ফোটেনি, চারপাশটা এক রহস্যময় ধোঁয়াশায় ঢাকা। আজ এই বাড়ির আবহাওয়াটাও যেন একটু থমথমে। কারণ, আজ বহু বছর পর মেহুলের আব্বু সোহিকুল ...আরও পড়ুনতার সৎ মা তহিদা বেগম এবং তার একমাত্র সৎ বোন এই বাড়িতে আসছেন। আদ্রিয়ানের আব্বু আফতাব চৌধুরী নিজে উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিমন্ত্রণ করেছেন। আসলে এই আয়োজনটা অনেক আগেই হতে পারত, কিন্তু আদ্রিয়ানের কড়া নিষেধ ছিল। সে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল— মেহুলের পড়াশোনা আর পরীক্ষার মাঝে যেন কোনো বাইরের ঝামেলা না আসে। আগে মেহুলের এক্সাম শেষ হোক, তারপর অন্য সব।কাল মেহুলের অবশেষে