The fire of dormant love book and story is written by L Anjum Author in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. The fire of dormant love is also popular in Crime stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
সুপ্ত প্রেমের আগুন - উপন্যাস
L Anjum Author
দ্বারা
বাংলা Crime stories
এক সুন্দর সকালের সূচনা।সবে মাত্র 4:00 বাজে। এখনো সূর্যী মামার পুরোপুরি আকার দেখা যায়নি। সকালের আকাশ যেনো একটু ঘুম ভাঙা মুখে হালকা নীল আর ধূসর মেঘে মোড়ানো। চারপাশ নিস্তব্ধ, শুধু ঝির ঝির করে পড়া বৃষ্টির টুপটাপ শব্দে ভরে উঠছে পরিবেশ। পাতার ওপর বৃষ্টির ফোঁটা জমে মুক্তোর মতো ঝলমল করছে, আর বাতাসে ভেসে আসছে ভিজে মাটির গন্ধ—যা মনকে অদ্ভুত এক শান্তি দিচ্ছে। দূরে কোনো কোনো গাছের পাতায় জমে থাকা পানি নিচে ঝড়ে পড়ে নতুন ছন্দ তৈরি করছে। চায়ের কাপ হাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে কেউ হয়তো ভাবছে, “আজকের
এক সুন্দর সকালের সূচনা।সবে মাত্র 4:00 বাজে। এখনো সূর্যী মামার পুরোপুরি আকার দেখা যায়নি। সকালের আকাশ যেনো একটু ঘুম ভাঙা মুখে হালকা নীল আর ধূসর মেঘে মোড়ানো। চারপাশ নিস্তব্ধ, শুধু ঝির ঝির করে পড়া বৃষ্টির টুপটাপ শব্দে ভরে উঠছে ...আরও পড়ুনপাতার ওপর বৃষ্টির ফোঁটা জমে মুক্তোর মতো ঝলমল করছে, আর বাতাসে ভেসে আসছে ভিজে মাটির গন্ধ—যা মনকে অদ্ভুত এক শান্তি দিচ্ছে। দূরে কোনো কোনো গাছের পাতায় জমে থাকা পানি নিচে ঝড়ে পড়ে নতুন ছন্দ তৈরি করছে। চায়ের কাপ হাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে কেউ হয়তো ভাবছে, “আজকের
এক সন্দুর মুহূর্ত দিয়ে ঐশীর সময় পার হয়। আজকের বৃষ্টি এতই ভিন্ন যে, ঐশীর জীবনে এমন কোনো বৃষ্টি নেই যা সে ভেজেনি। মেঘলা আকাশ, ঘন কালো মেঘ আর ঠান্ডা বাতাস। আকাশ জুড়ে জমে থাকা কালো মেঘ ধীরে ...আরও পড়ুনফেটে পড়ছে টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা। চারপাশ যেন ভিজে উঠেছে নতুন প্রাণের ছোঁয়ায়। গাছের পাতায় জমে থাকা ফোঁটা ঝিকমিক করছে মুক্তার মতো, বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে মাটির সোঁদা গন্ধ। মাঠে জমে থাকা পানিতে ঢেউ খেলছে হালকা দমকা হাওয়ায়। দূরে কাক, শালিক আর দোয়েল ভিজে পাখা ঝাড়ছে। কচি ঘাসে জলের ছিটে লেগে যেন আরও সবুজ হয়ে উঠেছে প্রকৃতি। নদীর তীরে টুপটাপ
সকালের কোমল রোদ জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকে পড়েছে। চারদিকে পাখির কলকাকলি, হালকা বাতাসে পর্দা দুলছে। পরিবারের সবাই একসাথে নাস্তার টেবিলে বসেছে। টেবিলে ধোঁয়া ওঠা গরম গরম চা, ব্রেট,জ্যাম,পরোটা, ডিম ভাজি, ফল আর মিষ্টি গন্ধে ভরে উঠেছে পরিবেশ। ...আরও পড়ুনসাহাদ চৌধুরী পত্রিকা পড়তে পড়তে মাঝে মাঝে গল্প শোনাচ্ছেন, রুবাইয়া চৌধুরী সবার পছন্দমতো খাবার তুলে দিচ্ছেন। নীলিমা চৌধুরী আর রাসমিকা চৌধুরী রান্না ঘর থেকে খাবারের পাএ গুলি টেবিলে রাখার ব্যাবস্থা করছেন। সাদমান চৌধুরী গরম চা কাপে চুমুক দিচ্ছে। এহসান চৌধুরী বাচ্ছাদের সাথে হাসি-ঠাট্টা করছে, নিজেদের গল্প বলছে, আবার মাঝে মাঝে খাবার নিয়ে মজার খুনসুটিও চলছে তিন ভাই বনের মধ্যে।
সকালবেলার মৃদু আলোয় সূর্যের কিরণ সোনালি রঙে চারপাশ ভরিয়ে দিয়েছে। আকাশে হালকা মেঘের ভেসে চলা, গাছে গাছে পাখির কূজন, বাতাসে তাজা ফুলের ঘ্রাণ যেন এক অপূর্ব প্রাকৃতিক আবেশ ছড়াচ্ছে। এই মনোরম প্রকৃতির মাঝেই দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ...আরও পড়ুনসুন্দরী রমণী। পরনে সাদা-নীল স্কুলড্রেস, যেন সরলতার প্রতীক। হালকা বাতাসে তার চুল উড়ে এসে মুখের কোণে খেলাচ্ছে, চোখে সূর্যের আলো পড়ায় আরও দীপ্তিময় দেখাচ্ছে তাকে। তার ঠোঁটে লাজুক হাসি, হাতে বইয়ের ব্যাগ, যেন পুরো দৃশ্যটাই প্রকৃতির সাথে একাকার হয়ে গেছে। মুহূর্তটা এমন মনে হয়, যেন সূর্যও থেমে তাকে আলোকিত করছে, আর প্রকৃতি তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নীরব হয়ে
একটি মনোরম স্কুলের চিত্র—চারপাশে সবুজ গাছপালা, ফুলে ভরা বাগান আর পাশে ঝিলমিল করা পুকুর। ফুলের সৌরভে ভরে আছে পুরো পরিবেশ। স্কুলের বিশাল মাঠে সারি সারি পরীক্ষার্থী দাঁড়িয়ে আছে, সবার হাতে কলম খাতা, মনে মিশ্র উত্তেজনা আর চিন্তা। গেটের সামনে ...আরও পড়ুনজমেছে, ভেতরে প্রবেশ করার অপেক্ষা তাদের চোখে-মুখে স্পষ্ট। উপরে ঝলমলে সূর্য যেন আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে বাতাস, তবুও গাছের ছায়ায় কিছুটা স্বস্তি খুঁজছে তারা। মাঠজুড়ে যেন এক বিশেষ দিনের আমেজ ছড়িয়ে আছে। মাঠের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে এক অপরূপ সুন্দরী মেয়ে। সাদা-নীল স্কুলড্রেসে সে যেন সকালের রোদের আলোয় ফুটে থাকা শাপলার মতো দীপ্ত। চুলগুলো বাতাসে দুলছে, কপালে পড়েছে