You in Brishti's Eyes book and story is written by MOU DUTTA in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. You in Brishti's Eyes is also popular in Love Stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
বৃষ্টির দুচোখে তুমি - উপন্যাস
MOU DUTTA
দ্বারা
বাংলা Love Stories
থম অধ্যায় : “ভেজা দুপুরে অচেনা চাহনি”
কলকাতার আকাশ যেন সকাল থেকেই মনখারাপ করে বসেছিল।
ধূসর মেঘের পর মেঘ জমে উঠেছিল ভবনের মাথার ওপর।
দুপুর গড়ানোর আগেই নেমে এলো ঝুম বৃষ্টি—
টিনের চালের ওপর ফোঁটা ফোঁটা শব্দ, রাস্তার পাশে ছাতার নিচে ছোটাছুটি,
আর তার মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিল ঈশা সেনগুপ্ত।
সাদা রঙের গাড়ির ভেতরে বসে, জানলার বাইরে তাকিয়ে ছিল সে।
কাচে জমে থাকা বৃষ্টির জল হাতের আঙুল দিয়ে মুছে দিচ্ছিল,
আর নিজের প্রতিফলনে হঠাৎ চোখ আটকে গেল—
ক্লান্ত মুখ, চুপচাপ চোখ, যেখানে কোনো হাসি নেই বহুদিন ধরে।
ঈশা, বয়স মাত্র আটাশ।
নামী এক ফাইনান্স কোম্পানির মালকিন,
সবাই বলে—সে ভাগ্যবতী,
কিন্তু ঈশা জানে, তার জীবনে ভাগ্য নয়, একাকিত্বই বেশি জেদী হয়ে আছে।
অফিস, মিটিং, নেটওয়ার্কিং—
প্রথম অধ্যায় : “ভেজা দুপুরে অচেনা চাহনি”কলকাতার আকাশ যেন সকাল থেকেই মনখারাপ করে বসেছিল।ধূসর মেঘের পর মেঘ জমে উঠেছিল ভবনের মাথার ওপর।দুপুর গড়ানোর আগেই নেমে এলো ঝুম বৃষ্টি—টিনের চালের ওপর ফোঁটা ফোঁটা শব্দ, রাস্তার পাশে ছাতার নিচে ছোটাছুটি,আর তার ...আরও পড়ুনদাঁড়িয়ে ছিল ঈশা সেনগুপ্ত।সাদা রঙের গাড়ির ভেতরে বসে, জানলার বাইরে তাকিয়ে ছিল সে।কাচে জমে থাকা বৃষ্টির জল হাতের আঙুল দিয়ে মুছে দিচ্ছিল,আর নিজের প্রতিফলনে হঠাৎ চোখ আটকে গেল—ক্লান্ত মুখ, চুপচাপ চোখ, যেখানে কোনো হাসি নেই বহুদিন ধরে।ঈশা, বয়স মাত্র আটাশ।নামী এক ফাইনান্স কোম্পানির মালকিন,সবাই বলে—সে ভাগ্যবতী,কিন্তু ঈশা জানে, তার জীবনে ভাগ্য নয়, একাকিত্বই বেশি জেদী হয়ে আছে।অফিস, মিটিং, নেটওয়ার্কিং—সবকিছুর মধ্যে
“চোখে চোখে যে আলো জ্বলে”এটা সেই অধ্যায়, যেখানে ঈশা ও মেহেরার মধ্যে বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে ভালোবাসায় রূপ নেয়,তবে কোনো ঘোষণা ছাড়াই — কেবল দৃষ্টি, নীরবতা আর হৃদয়ের ভাষায়।(এই অধ্যায়টি প্রায় ২০০০ শব্দের মতো দীর্ঘ ও আবেগঘন।)কলকাতার আকাশ আজও ধূসর।বৃষ্টি ...আরও পড়ুনগেছে, কিন্তু হাওয়ায় এখনও ভেজা গন্ধ ভাসছে।অফিসের কাঁচের জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ঈশা বুঝতে পারছিল—যে মেয়েটা তার জীবনে আসার পর থেকে,সবকিছু একটু একটু করে বদলে যাচ্ছে।আগে দিন মানে ছিল কেবল সময়ের পর সময়,কাজের তালিকা, ফোনকল, মিটিং—কিন্তু এখন দিন মানে এক নতুন অপেক্ষা।সকালে অফিসে ঢুকলেই ঈশার চোখ প্রথমে খোঁজে—মেহেরা কোথায়?মেহেরা এখন অফিসে নিয়মিত,সব কাজ নিখুঁতভাবে করে, কারও সঙ্গে অকারণে কথা বলে
: “তোমার ছায়ায় আমার রোদ”বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরের দিনগুলো সবসময় একটু আলাদা হয়।আকাশ পরিষ্কার থাকে, কিন্তু মাটির ভেতরে জল জমে থাকে—যেমন ঈশার জীবনটা এখন।মেহেরা চলে যাওয়ার পর অফিসটা হঠাৎ করে অচেনা হয়ে উঠেছে।কাঁচের করিডর, পরিচিত চেয়ার, ফাইলের স্তূপ—সব আগের ...আরও পড়ুনআছে,তবু কোথাও যেন একটা শূন্য চেয়ার পড়ে থাকে,যেটা চোখে না পড়লেও মনে পড়েই যায়।ঈশা আর অফিসে নিয়মিত যায় না।কয়েকটা জরুরি মিটিং অনলাইনে সেরে নেয়,বাকি সময়টা নিজেকে দেয়—যেটা সে কোনোদিন দেয়নি।সকালে জানলার ধারে বসে কফি খেতে খেতে ভাবে—আমি কি ভুল করেছি?তারপরই নিজের মনই উত্তর দেয়—ভুল নয়, সত্য বলেছি।ভালোবাসার জন্য ক্ষমা চাইতে হয় না।এই কথাটা ঈশা ধীরে ধীরে শিখছে।অন্যদিকে, শহরের একদম অন্য
অধ্যায়: “ছোঁয়ার ভাষা”রাতটা খুব শান্ত ছিল।বৃষ্টির শব্দ নেই,শুধু জানলার বাইরে পাতার ওপর বাতাসের হালকা নড়াচড়া।ঈশার ফ্ল্যাটে আলো কম।হলুদ টেবিল ল্যাম্পটা জ্বলছে,আলোর ভেতরে ছায়া হয়ে বসে আছে দু’জন।মেহেরা সোফার এক কোণে,ঈশা জানলার পাশে।কথা নেই।কিন্তু নীরবতাটা অস্বস্তিকর নয়—এটা সেই নীরবতা,যেখানে শরীর ...আরও পড়ুনথেকেই কাছে যেতে চায়।ঈশা ধীরে বলে,“তুমি ক্লান্ত?”মেহেরা মাথা নাড়ে।“না… শুধু শান্ত।”ঈশা এগিয়ে আসে।খুব ধীরে।যেন ভয় পাচ্ছে—এই এক পা এগোনোতে কিছু ভেঙে যাবে না তো?মেহেরা তাকিয়ে থাকে।চোখে ভয় নেই,আছে শুধু অনুমতি।ঈশা পাশে বসে।দূরত্বটা এত কম—মেহেরা ঈশার নিঃশ্বাসের উষ্ণতা টের পায়।হঠাৎ মেহেরা নিজের মাথাটাঈশার কাঁধে রেখে দেয়।এই একটুখানি ছোঁয়ায়ঈশার শরীর কেঁপে ওঠে।সে হাত তোলে,কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে থামে।“ঠিক আছে?”কণ্ঠটা খুব নরম।মেহেরা চোখ বন্ধ