Poran Bondhua book and story is written by Srabanti Ghosh in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. Poran Bondhua is also popular in থ্রিলার in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
পরাণ বঁধুয়া - উপন্যাস
Srabanti Ghosh
দ্বারা
বাংলা থ্রিলার
মুখার্জী বাড়িতে সারাক্ষণ যেন হৈচৈ চলছে। মেজভাই তপনবাবুর একমাত্র মেয়ে নীরার জন্য পাত্র খোঁজা শুরু হয়েছিল। এম এ পাশ করে বি এড পড়ছে নীরা, বাড়ির সবার আদরের তুলি। যৌথ পরিবারের হাওয়া এখনও ঘোরে এবাড়িতে। বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে বড়ভাই স্বপনবাবুর মতই মানা হয়। তা ওনার মত হল, এখন থেকে খোঁজ খবর হোক না। লাখ কথা না হলে তো আর বিয়ে হচ্ছে না।সেটাও ঠিক। এই যে স্বপনবাবুর বড় ছেলে পুপুলের বিয়ে হল গতবছর, পাক্কা দুটি বছর ধরে পাত্রী দেখা চলেছে। রিটায়ার করেছিলেন বলেই সম্ভব হয়েছিল। প্রায় প্রায় রবিবার গিন্নি আর দুই ভাইয়ের বৌকে নিয়ে মেয়ে দেখতে যাওয়া।
পর্ব - ১মুখার্জী বাড়িতে সারাক্ষণ যেন হৈচৈ চলছে। মেজভাই তপনবাবুর একমাত্র মেয়ে নীরার জন্য পাত্র খোঁজা শুরু হয়েছিল। এম এ পাশ করে বি এড পড়ছে নীরা, বাড়ির সবার আদরের তুলি। যৌথ পরিবারের হাওয়া এখনও ঘোরে এবাড়িতে। বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে ...আরও পড়ুনস্বপনবাবুর মতই মানা হয়। তা ওনার মত হল, এখন থেকে খোঁজ খবর হোক না। লাখ কথা না হলে তো আর বিয়ে হচ্ছে না।সেটাও ঠিক। এই যে স্বপনবাবুর বড় ছেলে পুপুলের বিয়ে হল গতবছর, পাক্কা দুটি বছর ধরে পাত্রী দেখা চলেছে। রিটায়ার করেছিলেন বলেই সম্ভব হয়েছিল। প্রায় প্রায় রবিবার গিন্নি আর দুই ভাইয়ের বৌকে নিয়ে মেয়ে দেখতে যাওয়া। এদিকে তিন জায়ের
পর্ব - ২শর্মিষ্ঠা মাঝদুপুরে হুড়মুড়িয়ে এসে বড়বৌদির ঘরে ঢোকে। জানে খেয়ে উঠে এসময় তিন জা গল্পগুজব, উপন্যাস, ম্যাগাজিন নিয়ে গড়াগড়ি দেয়। কিন্তু শর্মির তো দুপুরে কাজের চাপে খাওয়ার সময় হয় না এক একদিন।নিচে ওর বড়দা স্বপনবাবু দরজা খুলে দিয়েছেন। ...আরও পড়ুনঅবাক, "তুই, এখন? মুখচোখ এরকম কেন? কি হয়েছে?"--"অনেক কথা আছে বড়দা। ঠিক যে আমার কিছু হয়েছে তা নয়। তবে আমার মনটাও ভাল নেই। তাই তোমাদের কাছে এলাম। উপরে চলো। সবাইকে একসঙ্গে বলব।"এখন বাড়িতে তিন ভাইয়ের খুবই সদ্ভাব। তবে একদিন অশান্তি হয়েছিল, আর সেটা শর্মির জন্যই। শর্মি তার বান্ধবীর দাদা অরুণেশকে বিয়ে করার জেদ ধরেছিল। নব্বইয়ের দশকে কলকাতার একদম নাকের ডগায়
পরাণ বঁধুয়াপর্ব - ৩শর্মি বলে, এখন রুমু ফিরে এসেছে বাড়িতে। বাবলি ওষুধ খেয়ে শুয়েছে। তাই ও ছুটে এসেছে এখানে। উজাড় করে বলতে থাকে, সেই ছোটবেলা থেকে আজ পর্যন্ত কত কথা। স্বপনবাবু তো বটেই, বৌরাও অনেক গল্প জানে। সকলের দীর্ঘশ্বাসে ...আরও পড়ুনভারি হয়ে যায়। ছেলে মেয়েরা বাড়ি ছিল না। তাই কথাটা এদের মধ্যেই থেকে গেল।সন্ধ্যায় দাদাবৌদির সঙ্গে রুমুকে নিয়ে বাবলি এল দেখা করতে। বাড়ির বড়দের সমস্ত বাৎসল্য গিয়ে পড়ল ভাগ্যতাড়িত মেয়েটির উপর। আদর যত্নের অবধি রইল না। এত আদর কেন ওর প্রতি, সত্যি না জানলেও রুমুরও অবাক লাগল না। মামা মামীর রাজকন্যা রুমু ধরে নিয়েছে মামীর বাপের বাড়িতে এত বছরে ওর
পরাণ বঁধুয়াপর্ব - ৪--"এ কি বাবলু? রুমু আমাদের পর? ছোটবেলায় কতদিন আমার কাছে, মেজোর কাছে ওকে রেখে কেনাকাটা করতে গেছে ওর বাবলি আর শর্মি। আর আজ এমন সময়ে তুমি হাতজোড় করে বলতে হবে? তোমার দাদা বলে দেওয়ার পরও?" বড়গিন্নি ...আরও পড়ুনদেয়।শর্মি তাড়াতাড়ি কথার হাল ধরে, "বৌদি, ও বলতে চাইছে, তোমরা রুমুকে চিরকালের জন্য তোমাদের ঘরে নিয়ে এসো। যেমন মৌকে এনেছ। আমার রুমুও খুব ভাল মেয়ে, দেখে নিও।"সবাই স্তম্ভিত, বাবলি এবার বলে, "বড়দা, তোমরা যদি রাজি হও, আমি মেয়েটার বিয়ে দেখে যেতে পারি।"--"বিয়ে দেখে মানে?" স্খলিত স্বরে বলে মেজবৌ বিদিশা। মানে বোঝেনি তা নয়, যেন স্পষ্ট করে শুনতে চায়।--"তোমরা কি বুবুনের
পরাণ বঁধুয়াপর্ব - ৫--"এই ব্যাপারে আমিও শেয়াল। তোমাদের দলের। তপন আর মোহনেরও বোধহয় একই মত। তাও এলে আমি কথা বলব। সমস্যা হল, তোমার ঐ এঁড়ে ছেলে, ও তো সিংহগর্জন ছাড়বে।" চিন্তা থাকলেও স্বপনবাবুর ঠোঁটের কোণে হাসি।--"তা তো ছাড়বেই। সিংহীর ...আরও পড়ুনতো সিংহই হবে। তবে আমি বলে দিলাম, এই মেয়েই আমার বউ করে চাই।" বড়গিন্নি রায় দিয়ে দেয়।--"শোনো, তোমাদের সবাইকে একটা কথা বলছি, বুবুন যেন কিছু না জানে। আমি আগে সবাইকে জিজ্ঞেস করি। তারপর সময় বুঝে ওর সঙ্গে কথা পাড়ব সবার সামনে। একবার বিয়েতে না বলে যথেষ্ট ঝঞ্ঝাট হয়েছে ওদের বাড়ির সঙ্গে। বাবলুর মা যতদিন বেঁচে ছিলেন, আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেননি।