Forbidden Love book and story is written by MOU DUTTA in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. Forbidden Love is also popular in Love Stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
নিষিদ্ধ ভালোবাসা - উপন্যাস
MOU DUTTA
দ্বারা
বাংলা Love Stories
“প্রথম দেখা, অজানা টান”কলেজের প্রথম দিন।সকালের হালকা ঠান্ডা হাওয়া, আকাশে একটু মেঘলা ভাব—যেন প্রকৃতিও আজ নতুন কিছু শুরু হওয়ার অপেক্ষায়।ঈশা ধীরে ধীরে কলেজের গেটের সামনে এসে দাঁড়াল।নতুন জায়গা… নতুন মানুষ…সবকিছুই তার কাছে একটু অচেনা, একটু ভয়ও লাগছে।সে খুব বেশি কথা বলতে পারে না।নিজের মতো থাকতেই বেশি পছন্দ করে।চোখ নামিয়ে গেট দিয়ে ঢুকতে যাচ্ছিল—ঠিক তখনই হঠাৎ কারও সাথে ধাক্কা লাগল।— “Sorry! আমি খেয়াল করিনি!”ঈশা মাথা তুলে তাকাতেই থমকে গেল।সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা—হাসছে।না, শুধু হাসি না…ওর চোখেও একটা অদ্ভুত আলো আছে।— “It’s okay! আমিও তাড়াহুড়ো করছিলাম,” মেয়েটা বলল।ঈশা কিছু বলল না।শুধু মাথা নেড়ে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইল।
Part 1: “প্রথম দেখা, অজানা টান”কলেজের প্রথম দিন।সকালের হালকা ঠান্ডা হাওয়া, আকাশে একটু মেঘলা ভাব—যেন প্রকৃতিও আজ নতুন কিছু শুরু হওয়ার অপেক্ষায়।ঈশা ধীরে ধীরে কলেজের গেটের সামনে এসে দাঁড়াল।নতুন জায়গা… নতুন মানুষ…সবকিছুই তার কাছে একটু অচেনা, একটু ভয়ও লাগছে।সে ...আরও পড়ুনবেশি কথা বলতে পারে না।নিজের মতো থাকতেই বেশি পছন্দ করে।চোখ নামিয়ে গেট দিয়ে ঢুকতে যাচ্ছিল—ঠিক তখনই হঠাৎ কারও সাথে ধাক্কা লাগল।— “Sorry! আমি খেয়াল করিনি!”ঈশা মাথা তুলে তাকাতেই থমকে গেল।সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা—হাসছে।না, শুধু হাসি না…ওর চোখেও একটা অদ্ভুত আলো আছে।— “It’s okay! আমিও তাড়াহুড়ো করছিলাম,” মেয়েটা বলল।ঈশা কিছু বলল না।শুধু মাথা নেড়ে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইল।— “এই শুনো…
“অজানা অনুভূতির শুরু”কলেজের করিডোরটা আজ অন্যদিনের চেয়ে একটু বেশি ব্যস্ত।ঈশা ধীরে ধীরে হাঁটছিল, হাতে একটা বই।তার চোখ বইয়ের পাতায়, কিন্তু মন পুরো অন্য কোথাও।কারণ—আজ সকালে মেঘলার সাথে কথা হয়নি।এতদিনে প্রথমবার।অদ্ভুত একটা খালি খালি লাগছে তার ভিতরে।— “আমি কি ওর ...আরও পড়ুনঅপেক্ষা করছি?”নিজেকেই প্রশ্ন করল ঈশা।তারপর মাথা নাড়িয়ে নিজেকে বোঝাল—“না… এটা normal।”কিন্তু তার পা নিজের থেকেই ক্যান্টিনের দিকে ঘুরে গেল।ক্যান্টিনে ঢুকতেই সে চারপাশে তাকাল।অনেক ভিড়… অনেক হাসি… অনেক শব্দ…কিন্তু সে খুঁজছে শুধু একজনকে।মেঘলা।হঠাৎই—— “ঈশা!”পেছন থেকে ডাক।ঈশা ঘুরে তাকাতেই দেখল—মেঘলা দৌড়ে আসছে।— “সরি! আজ একটু late হয়ে গেছিল…”ঈশা কিছু বলল না।শুধু তাকিয়ে রইল।— “তুমি রাগ করেছ?”মেঘলা একটু মিষ্টি করে বলল।— “না তো…”—
“অজানা টান, অস্বস্তির শুরু”সকালটা আজ একটু অদ্ভুত লাগছিল ঈশার কাছে।কেন যেন মনে হচ্ছিল—আজ কিছু একটা আলাদা হবে।কলেজে ঢুকতেই সে চোখ দিয়ে খুঁজতে লাগল…মেঘলাকে।কিন্তু আজ সে কোথাও নেই।ক্লাস শুরু হয়ে গেল, তবুও না।ঈশার মন আর পড়াশোনায় নেই।বারবার দরজার দিকে তাকাচ্ছে…“কোথায় ...আরও পড়ুনদ্বিতীয় পিরিয়ডের মাঝামাঝি—দরজা খুলে মেঘলা ঢুকল।কিন্তু একা না।তার পাশে একটা ছেলে।ছেলেটা হেসে হেসে কিছু বলছে, আর মেঘলাও হাসছে।ঈশার বুকটা হঠাৎ কেমন চেপে গেল।সে চোখ সরিয়ে নিল।ক্লাস শেষে…মেঘলা দৌড়ে এসে ঈশার পাশে বসে পড়ল।— “Hey! sorry আজ late হয়ে গেল!”ঈশা ঠান্ডা গলায় বলল—— “হুম…”মেঘলা একটু অবাক হলো।— “কি হলো? এত চুপ কেন?”— “কিছু না…”— “সকাল থেকে তোমাকে খুঁজছিলাম,” মেঘলা বলল।ঈশা একটু
“যত দূরে যাই, তত কাছে টানে”দিনগুলো যেন এখন খুব ধীরে কাটছে।ঈশার কাছে প্রতিটা দিন একই রকম—চুপচাপ ক্লাসে যাওয়া, একা বসে থাকা, কারও সাথে তেমন কথা না বলা।কিন্তু ভেতরে ভেতরে—সবকিছু এলোমেলো।সে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছে—“আমি ঠিক করেছি… দূরে থাকাই ভালো…”কিন্তু ...আরও পড়ুনমানছে না।আজ লাইব্রেরিতে বসে আছে ঈশা।বই খোলা সামনে…কিন্তু একটাও শব্দ মাথায় ঢুকছে না।কারণ তার চোখ বারবার চলে যাচ্ছে দরজার দিকে।সে জানে না কেন—কিন্তু সে অপেক্ষা করছে।মেঘলার জন্য।কিছুক্ষণ পর…মেঘলা ঢুকল।কিন্তু আজ সে একা না।তার সাথে আবার সেই অয়ন।দুজন একসাথে হাসতে হাসতে ভেতরে ঢুকল।ঈশার বুকটা হঠাৎ করে ভারী হয়ে গেল।সে দ্রুত চোখ নামিয়ে নিল।— “আমি কেন এমন feel করছি?”তার গলায় কাঁটা লাগছে।ওদিকে
Part 7: “ভালোবাসা, নাকি ভয়?”কলেজের দিনগুলো আবার একটু বদলাতে শুরু করেছে।ঈশা আর মেঘলা এখন আগের মতো দূরে নেই…আবার খুব কাছেও না।ওদের মাঝে একটা অদ্ভুত নীরব বোঝাপড়া।চোখে চোখ পড়লেই—সব বলা হয়ে যায়।একদিন…ক্লাস শেষে দুজন লাইব্রেরির পেছনের ছোট্ট গার্ডেনে বসে ছিল।চারপাশে ...আরও পড়ুনকম লোক।শান্ত… নিঃশব্দ…মেঘলা ধীরে বলল—— “ঈশা… আমরা কি এইভাবে চুপচাপ থাকবো?”ঈশা একটু চমকে তাকাল—— “মানে?”— “মানে… আমরা জানি আমরা একে অপরকে ভালোবাসি…তবুও কিছু বলি না…”ঈশার গলা শুকিয়ে গেল।— “সব কথা বলা যায় না…”— “কেন?”— “কারণ সবাই বুঝবে না…”মেঘলা একটু রেগে গেল—— “সবাইকে নিয়ে তুমি এত ভাবো কেন?”— “কারণ আমি ভয় পাই…”ঈশা আস্তে বলল।— “তুমি কি আমাকে নিয়ে ভয় পাচ্ছো?”মেঘলা চোখে