The Pact of Darkness book and story is written by Sohagi Baski in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. The Pact of Darkness is also popular in থ্রিলার in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
অন্ধকারের চুক্তি - উপন্যাস
Sohagi Baski
দ্বারা
বাংলা থ্রিলার
কলকাতার অভিজাত এলাকা বালিগঞ্জের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল সাদা মার্বেলের প্রাসাদ—“রায় চৌধুরী ভিলা”—যেখানে প্রতিটি দেয়ালে লুকিয়ে আছে ক্ষমতা, অহংকার আর অন্ধকার গোপন রহস্যের ইতিহাস। এই বাড়ির কর্তা অরিন্দম রায় চৌধুরী—ভারতের অন্যতম বড় গাড়ি কোম্পানি “RoyChowdhury Motors Pvt. Ltd.”-এর প্রতিষ্ঠাতা, যার এক ইশারায় শেয়ার মার্কেট কেঁপে ওঠে। তাঁর স্ত্রী নন্দিতা রায় চৌধুরী—সামাজিক কাজের আড়ালে নিজের প্রভাব বিস্তার করা এক রহস্যময় নারী। তাঁদের বড় ছেলে নীল রায় চৌধুরী—২৮ বছর বয়স, ৬ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা, গাঢ় কালো চোখ, ঠোঁটের কোণে স্থায়ী ব্যঙ্গাত্মক হাসি, আর এমন এক উপস্থিতি যা কারও শ্বাস আটকে দিতে যথেষ্ট। সে শুধু একজন সফল ব্যবসায়ীই নয়, সে এক ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড়—মানুষকে ব্যবহার করতে জানে, ভালোবাসাকে দুর্বলতা ভাবে, আর প্রতিশোধকে শিল্পে পরিণত করেছে। ছোট ভাই অয়ন রায় চৌধুরী—বিদেশে পড়াশোনা করছে, এখনও পুরোপুরি এই অন্ধকার দুনিয়ায় পা রাখেনি।
"ইন্ট্রো"কলকাতার অভিজাত এলাকা বালিগঞ্জের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল সাদা মার্বেলের প্রাসাদ—“রায় চৌধুরী ভিলা”—যেখানে প্রতিটি দেয়ালে লুকিয়ে আছে ক্ষমতা, অহংকার আর অন্ধকার গোপন রহস্যের ইতিহাস। এই বাড়ির কর্তা অরিন্দম রায় চৌধুরী—ভারতের অন্যতম বড় গাড়ি কোম্পানি “RoyChowdhury Motors Pvt. Ltd.”-এর ...আরও পড়ুনযার এক ইশারায় শেয়ার মার্কেট কেঁপে ওঠে। তাঁর স্ত্রী নন্দিতা রায় চৌধুরী—সামাজিক কাজের আড়ালে নিজের প্রভাব বিস্তার করা এক রহস্যময় নারী। তাঁদের বড় ছেলে নীল রায় চৌধুরী—২৮ বছর বয়স, ৬ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা, গাঢ় কালো চোখ, ঠোঁটের কোণে স্থায়ী ব্যঙ্গাত্মক হাসি, আর এমন এক উপস্থিতি যা কারও শ্বাস আটকে দিতে যথেষ্ট। সে শুধু একজন সফল ব্যবসায়ীই নয়, সে এক
দূরে দাঁড়িয়ে থাকা রুদ্র সেনের চোখে তখন শুধু একটাই আগুন—প্রতিশোধ। সিগারেটের ধোঁয়া ধীরে ধীরে বাতাসে মিশে যাচ্ছিল, আর তার ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠা হাসিটা ছিল ভয়ংকর শান্ত।সে মনে মনে বলে "নীল রায় চৌধুরী তুই এবার আমার হাত থেকে কিছু ...আরও পড়ুনবাঁচতে পারবি না আর দেখি কি করে তুই তোর প্রিয় মানুষদের আমার হাত থেকে বাঁচাতে পারিস,, সে দাঁতে দাঁত চেপে ফিসফিস করে --তোর কোম্পানি তে আমাকে অপমান করে বের করে দেওয়া টা আমি আজও ভুলিনি।"এবার তুই দেখবি"“এবার শুরু হবে আসল খেলা…”---সেই রাতটা মিমের জীবনে সবচেয়ে অস্বস্তিকর রাত হয়ে দাঁড়ায়।নীলের গাড়িতে বসে আছে সে—চুপচাপ, শক্ত হয়ে। বাইরে শহরের আলো একটার পর
রাতটা যেন শেষই হচ্ছিল না—রায় চৌধুরী ভিলার চারপাশে নেমে আসা নীরবতা ধীরে ধীরে আরও ভারী হয়ে উঠছিল, যেন অদৃশ্য কিছু একটা অপেক্ষা করছে। মিম জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল অনেকক্ষণ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় ফেলতেই চোখ লেগে আসে… ...আরও পড়ুনঘুমটা ছিল অস্থির, ভাঙা ভাঙা।হঠাৎ—কোনো এক তীক্ষ্ণ শব্দে তার ঘুম ভেঙে গেল।টক… টক…দরজায় আবার নক।মিম চোখ মেলে উঠে বসল—হৃদপিণ্ডটা জোরে ধকধক করছে।“কে?”কোনো উত্তর নেই।সে ধীরে ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেল, হাত বাড়িয়ে লক খুললো…দরজা খুলতেই—কেউ নেই।ফাঁকা করিডোর, নিস্তব্ধ।মিম একটু এগিয়ে বাইরে তাকালো… ঠিক তখনই—পিছন থেকে একটা ঠান্ডা বাতাস তার গায়ে লাগলো।সে হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ালো—আর তার চোখ একদম বিস্ফোরিত হয়ে গেল।তার
রাতটা অদ্ভুতভাবে নিস্তব্ধ ছিল… কিন্তু সেই নিস্তব্ধতার ভেতরেই যেন একটা অদৃশ্য ঝড় ঘুরপাক খাচ্ছিল। আবিবা ইসলাম মিম বিছানার এক কোণে গুটিসুটি মেরে বসে আছে, দু’হাত জড়িয়ে রেখেছে হাঁটুর উপর, চোখ দুটো ভেজা অথচ সে কাঁদছে না… যেন কান্নাটাও ভয় ...আরও পড়ুনগেছে। তার মাথার ভেতর বারবার ঘুরছে একটাই মুখ—নীল রায় চৌধুরী… সেই ঠান্ডা চোখ, সেই ভয়ঙ্কর শান্ত গলা, আর সেই অদ্ভুত অধিকারবোধ।হঠাৎ দরজার বাইরে পায়ের শব্দ… ধীর, স্থির, ভারী। মিমের বুকের ধুকপুকানি এক লাফে বেড়ে যায়। দরজাটা ধীরে ধীরে খুলে যায়, আর আলো-অন্ধকারের মাঝখান দিয়ে ভেতরে ঢোকে নীল… কালো শার্ট, হাতা ভাঁজ করা, চোখে সেই একই গভীর অন্ধকার।নীল কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে
যেন পুরো পৃথিবী থেমে আছে, শুধু চোখের লড়াই চলছে—নীল রায় চৌধুরী আর রুদ্র সেন… আর মাঝখানে নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আবিবা ইসলাম মিম।রুদ্র ঠোঁটের কোণে সেই পরিচিত শীতল হাসিটা টেনে ধীরে ধীরে বললো—“তুই বদলাইনি, নীল… এখনো আগের মতোই impulsive… ...আরও পড়ুনচোয়াল শক্ত হয়ে যায়—“আর তুই এখনো আগের মতোই নোংরা…”রুদ্র হেসে ওঠে, তারপর হঠাৎ করে তার পেছন থেকে কয়েকজন armed লোক বেরিয়ে আসে, চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে জায়গাটা।মিমের বুক কেঁপে ওঠে… সে অজান্তেই নীলের শার্টটা আঁকড়ে ধরে।নীল সেটা টের পায়… এক সেকেন্ডের জন্য তার চোখ নরম হয়ে যায়, কিন্তু সে কিছু বলে না… শুধু একটু সামনে সরে দাঁড়ায়, যেন পুরো পৃথিবী