Signal of Darkness book and story is written by Sudip Maity in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. Signal of Darkness is also popular in Detective stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
অন্ধকারের সংকেত - উপন্যাস
Sudip Maity
দ্বারা
বাংলা Detective stories
কলকাতার আকাশটা সেদিন অদ্ভুতভাবে মেঘলা ছিল। দুপুর হলেও চারপাশে একটা গুমোট অন্ধকার নেমে এসেছিল। আমি, রুদ্র, জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। রাস্তার গাড়িগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিল, যেন তারাও এই অদ্ভুত আবহাওয়ার প্রভাব অনুভব করছে।ঠিক তখনই দরজার কলিংবেল বেজে উঠল।আমি দরজা খুলতেই দেখতে পেলাম একজন বৃদ্ধ ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। বয়স প্রায় সত্তরের কাছাকাছি। সাদা পাঞ্জাবি, ধূসর চুল আর চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা।তিনি উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন,— অরিন্দম সেন কি বাড়িতে আছেন?আমি মাথা নাড়লাম।— আছেন। আপনি ভেতরে আসুন।ভদ্রলোক ঘরে ঢুকতেই অরিন্দম সোফা থেকে উঠে দাঁড়াল।— নমস্কার। আমি অরিন্দম সেন।ভদ্রলোক বললেন,— আমি অধ্যাপক অমিতাভ রায়। আমি আপনার সাহায্য চাই।
কলকাতার আকাশটা সেদিন অদ্ভুতভাবে মেঘলা ছিল। দুপুর হলেও চারপাশে একটা গুমোট অন্ধকার নেমে এসেছিল। আমি, রুদ্র, জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। রাস্তার গাড়িগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিল, যেন তারাও এই অদ্ভুত আবহাওয়ার প্রভাব অনুভব করছে।ঠিক তখনই দরজার কলিংবেল ...আরও পড়ুনউঠল।আমি দরজা খুলতেই দেখতে পেলাম একজন বৃদ্ধ ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। বয়স প্রায় সত্তরের কাছাকাছি। সাদা পাঞ্জাবি, ধূসর চুল আর চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা।তিনি উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন,— অরিন্দম সেন কি বাড়িতে আছেন?আমি মাথা নাড়লাম।— আছেন। আপনি ভেতরে আসুন।ভদ্রলোক ঘরে ঢুকতেই অরিন্দম সোফা থেকে উঠে দাঁড়াল।— নমস্কার। আমি অরিন্দম সেন।ভদ্রলোক বললেন,— আমি অধ্যাপক অমিতাভ রায়। আমি আপনার সাহায্য চাই।অরিন্দম চুপচাপ তাঁর দিকে
রাত তখন প্রায় সাড়ে দশটা।গলির মধ্যে দাঁড়িয়ে আমি আর অরিন্দম সেই ধাতব চাকতিটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম । চারপাশে অদ্ভুত নীরবতা । দূরে কোথাও কুকুরের ডাক শোনা যাচ্ছিল ।চাকতির ওপর খোদাই করা চোখের চিহ্নটা যেন আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে ।আমি ...আরও পড়ুন"ছায়া" কি কোনো সংগঠন?অরিন্দম উত্তর দিল না ।চাকতিটা হাতের মধ্যে ঘুরিয়ে দেখতে দেখতে বলল ,— জানি না। তবে একটা ব্যাপার নিশ্চিত ।— কী ?— মানচিত্র চুরি করা লোক আর এই "ছায়া"-র মধ্যে সম্পর্ক আছে ।আমি গম্ভীর হয়ে গেলাম ।প্রথম দিনেই রহস্যটা যতটা সহজ মনে হয়েছিল, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল লাগছে ।পরদিন সকালে আমরা আবার অধ্যাপক অমিতাভ রায়ের বাড়িতে
সেই রাতটা আমার জীবনের অন্যতম ভয়ংকর রাত হয়ে থাকবে ।সামনের বাড়ির ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা কালো অবয়বটা বিদ্যুতের ঝলকানির সঙ্গে সঙ্গেই অদৃশ্য হয়ে গেল । আমি কয়েক সেকেন্ড স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম । মনে হচ্ছিল শরীরের সমস্ত শক্তি যেন ...আরও পড়ুনগেছে ।অরিন্দম দ্রুত দরজার দিকে এগিয়ে এল ।— কী হয়েছে, রুদ্র ?আমি কাঁপা গলায় বললাম ,— ছাদে… কেউ একজন দাঁড়িয়ে ছিল ।অরিন্দম এক মুহূর্ত দেরি না করে বাইরে বেরিয়ে গেল । আমিও তার পিছু নিলাম । আমরা রাস্তা পার হয়ে সামনের বাড়িতে পৌঁছালাম। পুরোনো বাড়ির সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত ছাদে উঠলাম ।কিন্তু সেখানে পৌঁছে দেখি — সেখানে কেউ নেই ।শুধু ছাদের
বৃদ্ধ মানুষটির নিথর দেহ রাস্তার ওপর পড়ে ছিল।তার চোখ দুটো এখনও খোলা , যেন মৃত্যুর আগের সেই ভয়াবহ দৃশ্য এখনও তার সামনে ভাসছে ।আমি কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইলাম । জীবনে অনেক অপরাধের কথা শুনেছি , কিন্তু নিজের চোখের ...আরও পড়ুনএভাবে একজন মানুষকে প্রাণ হারাতে দেখা — সেটা আমার কাছে প্রথম ।অরিন্দম ধীরে ধীরে বৃদ্ধের চোখ বন্ধ করে দিল ।তার মুখে কোনো ভয় ছিল না ,ছিল প্রচণ্ড রাগ ।— ছায়া ভুল করেছে , রুদ্র ।আমি অবাক হয়ে তাকালাম ।— কী বলছ ?— ওরা ভাবছে মানুষকে মেরে সত্যকে চিরদিন লুকিয়ে রাখা যায় । কিন্তু প্রতিটা খুন আসলে নতুন একটা সূত্র রেখে
শিবপুর গ্রামে ঢোকার পর থেকেই মনে হচ্ছিল কেউ আমাদের দেখছে।রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো খুব স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করছিল ঠিকই, কিন্তু তাদের চোখের দৃষ্টি বারবার আমাদের গাড়ির ওপর এসে পড়ছিল। কেউ এগিয়ে আসছিল না। তবু এক ধরনের অস্বস্তি পুরো গ্রামটাকে ...আরও পড়ুনরেখেছিল।অরিন্দম গাড়ি থামিয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল।— এখানকার মানুষ ভয়ে ভয়ভয়ে আছে কেন?— সে ধীরে বলল।আমি জিজ্ঞেস করলাম,— কাকে ভয় পাচ্ছে এরা।— হয়তো আমাদের। কারণ আমরা সত্যের খোঁজে এসেছি।গাড়ি থেকে নেমে আমরা ধুলোভরা সরু রাস্তা ধরে এগোতে লাগলাম। সামনে গ্রামের শেষ প্রান্তে দেখা যাচ্ছিল সেই জমিদারবাড়ির ভাঙা ছাদ। দূর থেকে বাড়িটা দেখতে একটা মৃত দানবের মতো লাগছিল—চুপচাপ, নিশ্চল, অথচ ভেতরে