I gave my heart to you. book and story is written by Lamisa Anjum Sk in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. I gave my heart to you. is also popular in Crime stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
মন_তোকে_দিলাম - উপন্যাস
Lamisa Anjum Sk
দ্বারা
বাংলা Crime stories
রবিবার,,,,,,,,,,,,,,,,
23/04/2019,,,,,,,,
"জাফির খান আরিজ, এর একমাএ পুএ এড্রিয়ান খান জেহেফিল এর সঙ্গে ১ কোটি ১ টাকার বিনিময়ে আপনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইতে চাচ্ছে আপনি কি এই সম্পর্কে রাজি আছেন, তুমি কি কবুল"
কথা টা শুনেই অষ্টাদশির বুক ধক করে উঠলো। নাম হীন একটা অনুভূতি কাজ করছে। চোখে অশ্রু টলমল করেছে, না জানি এখনি না গোড়িয়ে পড়ে গাল বেয়ে।
সেরাফিনা নোভা— নামটা শুনলেই যেন একটা শান্ত নদীর কথা মনে পড়ে। নিঃশব্দে বয়ে চলা, কারও ক্ষতি না করা, শুধু নিজের মানুষদের ভালোবেসে বাঁচতে চা
রবিবার,,,,,,,,,,,,,,,,23/04/2019,,,,,,,,"জাফির খান আরিজ, এর একমাএ পুএ এড্রিয়ান খান জেহেফিল এর সঙ্গে ১ কোটি ১ টাকার বিনিময়ে আপনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইতে চাচ্ছে আপনি কি এই সম্পর্কে রাজি আছেন, তুমি কি কবুল"কথা টা শুনেই অষ্টাদশির বুক ধক করে উঠলো। ...আরও পড়ুনহীন একটা অনুভূতি কাজ করছে। চোখে অশ্রু টলমল করেছে, না জানি এখনি না গোড়িয়ে পড়ে গাল বেয়ে।সেরাফিনা নোভা— নামটা শুনলেই যেন একটা শান্ত নদীর কথা মনে পড়ে। নিঃশব্দে বয়ে চলা, কারও ক্ষতি না করা, শুধু নিজের মানুষদের ভালোবেসে বাঁচতে চাওয়া একটা মেয়ে। খুব সাধারণ, খুব নরম মনের। পরিবারের প্রথম মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই সে ছিল সবার আদরের, সবার চোখের মণি।
শনিবার,,,,,,,,,,,,,,,,,,22/04/2019,,,,,,,,,,রাত ১২:৪৯ মিনিট নাইট ক্লাবে সবাই ঘোড়ে আছে। গান চলছে সাথে সবাই গানের তালে ডান্স করছে, কেউ কেউ ড্রিঙ্ক করছে। কেউ মেয়ে নিয়ে মাতা মাতি করছে।কিছু দূরে আড়ালে কেউ কিস করছে। লাল আলোয় কারোর মুখ বোঝা যাচ্ছে নাহ সবাই ...আরও পড়ুনঅনেক ক্ষণ ধরে একটা মেয়েকে দেখেই যাচ্ছে। তার মুখে তাচ্ছিল্য হাসি, অনেক দূরে একটা সিঙ্গেল সোফা তে বসে আছে হাতে একটা জলন্ত সিগারেট, টেবিলের উপড়ে সচ্ছ কাঁচের বতলে লাল রং এর তরল পদার্থ।হইতো আজ রাতে তার শিকার এই মেয়েটা হবে,প্রতিটি রাত সিফানের সাথী নাইট ক্লাব, এখানেই যে সিফান এর হাতে কত শত মেয়ে মারা গিয়েছে তার ঠিক নেই। কত মেয়ে
শনিবার,,,,,,,,,,,,,,22/04/2019,,,,,,অন্ধকার রুমে একটা ধাড়ে বসে আছে একটা লোক। হাতে ফোন, ফোনের আলোয় মুখটা খুব ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছে নাহ। সেই থেকে কয় একটা ছবি দেখেই যাচ্ছে।নেভি-ব্লু রঙের হিজাব পরে রাস্তার এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে একটা মেয়ে। বিকেলের নরম রোদ ...আরও পড়ুনপড়েছে তার মুখের উপর, আর সেই আলোয় তাকে ঠিক আকাশ থেকে নেমে আসা কোনো শান্ত পরীর মতো লাগছে। মুখে লেগে আছে অদ্ভুত এক মায়াবী হাসি—যে হাসি দেখলে মনে হয় পৃথিবীর সব কষ্ট, সব দুঃখ, সব অন্ধকার মুহূর্ত এক নিমিষেই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। তার হাসির মাঝে এমন এক শান্তি আছে, যেন ক্লান্ত হৃদয়ের জন্য এক টুকরো আশ্রয়।গোলাপি ঠোঁট দুটো একটু
শনিবার,,,,,,,,,,,,,,,,,,,22/04/2019,,,,,,,,,,,উপরে থেকে নিচে নেমে যাওয়া সরু সিঁড়িটা যেন অন্ধকারের পেটের ভেতরে ঢুকে গেছে। কাঠের ধাপগুলো পুরোনো আর ভাঙাচোরা, কোথাও কোথাও ফাটল ধরেছে। প্রতিটা ধাপে পা রাখলেই “কড়রর…” করে বিকট শব্দ উঠছে, যেন বহু বছর পর কেউ এই পথে নামছে। ...আরও পড়ুনদুই পাশের দেয়াল ভেজা আর স্যাঁতসেঁতে, হাত ছোঁয়ালেই ঠান্ডা পানি আর শ্যাওলার পিচ্ছিল অনুভূতি লেগে থাকে। ওপরে থেকে আসা ক্ষীণ আলো কয়েক ধাপ পর্যন্ত পৌঁছায়, তারপরই সবকিছু ঘন কালো অন্ধকারে ডুবে যায়।নিচের দিকে তাকালে শুধু অন্ধকার দেখা যায়, এতটাই গভীর যে মনে হয় সিঁড়িটার শেষই নেই। কোথাও থেকে ঠান্ডা বাতাস ধীরে ধীরে ওপরে উঠছে, আর সেই বাতাসে মিশে আছে পচা
শনিবার,,,,,,,,,,,,,,,,22/04/2019,,,,,,,,"টেবিল এর উপড়ে রাখা শিশির ভেতরের অ্যাকুয়া রেজিয়ার দিকে তাকিয়ে সিফান বুঝতে পারল, ভুলেও হাতে এটা পড়লে ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারে।"জেহেফিল আস্তে করে শিশি টা তুলে নিলো। সিফানের দিকে তাকিয়ে একটা অদ্ভুত হাসি দিলো। জেহেফিল কে তার দিকে এগিয়ে ...আরও পড়ুনদেখে সিফান ভয় পেয়ে গেল। সিফান বুঝে গিয়েছে তার সাথে কি হতে চলেছে।"নাহ প্লিজ এটা করিস না, তুই কে আমি কিছু জানি নাহ। আমাকে ছেড়ে দে"ফাঁকা বেসমেন্ট এ সিফানের আওয়াজ দু দু বার করে শোনা যাচ্ছে। সিফান ছটফট করতে থাকে কিন্তু কোনো লাভ হয় নাহ।জেহেফিল অতি সাবধানে বতলের ঢাকনা টা খোলা। আহাদ দূড়ে দাঁড়িয়ে সব টা দেখতে থাকে, জেহেফিল আহাদের