Where It's Just You book and story is written by MOU DUTTA in Bengali . This story is getting good reader response on Matrubharti app and web since it is published free to read for all readers online. Where It's Just You is also popular in Love Stories in Bengali and it is receiving from online readers very fast. Signup now to get access to this story.
যেখানে শুধু তুমি - উপন্যাস
MOU DUTTA
দ্বারা
বাংলা Love Stories
পর্ব ১: বৃষ্টির শহরে প্রথম দেখা
কলকাতা শহরকে অনেকেই ভালোবাসার শহর বলে। কেউ বলে বইয়ের শহর, কেউ বলে কফির শহর। কিন্তু আরোহী সেনের কাছে কলকাতা মানে ছিল—হাজারো মানুষের ভিড়ের মধ্যে একা হয়ে যাওয়ার শহর।
সেদিন সকাল থেকেই আকাশটা কেমন যেন ভারী ছিল। সূর্যের আলো যেন মেঘের চাদরের আড়ালে আটকে পড়েছিল। দুপুরের পর থেকেই শুরু হয় টিপটিপ বৃষ্টি। তারপর ধীরে ধীরে সেই বৃষ্টি পুরো কলেজ স্ট্রিটকে ভিজিয়ে দিল।
পর্ব ১: বৃষ্টির শহরে প্রথম দেখাকলকাতা শহরকে অনেকেই ভালোবাসার শহর বলে। কেউ বলে বইয়ের শহর, কেউ বলে কফির শহর। কিন্তু আরোহী সেনের কাছে কলকাতা মানে ছিল—হাজারো মানুষের ভিড়ের মধ্যে একা হয়ে যাওয়ার শহর।সেদিন সকাল থেকেই আকাশটা কেমন যেন ভারী ...আরও পড়ুনসূর্যের আলো যেন মেঘের চাদরের আড়ালে আটকে পড়েছিল। দুপুরের পর থেকেই শুরু হয় টিপটিপ বৃষ্টি। তারপর ধীরে ধীরে সেই বৃষ্টি পুরো কলেজ স্ট্রিটকে ভিজিয়ে দিল।ভেজা বইয়ের গন্ধ...চায়ের দোকানের ধোঁয়া...ছাতা হাতে দ্রুত হাঁটা মানুষ...সব মিলিয়ে শহরটা যেন একটা পুরোনো কবিতা।আরোহী সেন ধীরে ধীরে হাঁটছিল।বয়স চব্বিশ।বাংলা সাহিত্য নিয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অবসর পেলেই কবিতা লেখে। ছোটবেলা থেকেই তার অভ্যাস—মনের কথা
পর্ব ২: অচেনা নম্বরের রহস্যরাত তখন প্রায় একটা।ঘরের সব আলো নিভে গেছে। শুধু আরোহীর টেবিল ল্যাম্পটা জ্বলছে।বাইরে এখনও বৃষ্টি পড়ছে।মোবাইলের স্ক্রিনে সেই অচেনা নম্বর থেকে আসা মেসেজটা এখনও জ্বলজ্বল করছে—"মেঘলার থেকে দূরে থাকুন। ওর কাছে গেলে আপনার জীবনও বদলে ...আরও পড়ুনঅনেকক্ষণ ধরে স্ক্রিনটার দিকে তাকিয়ে রইল।মেসেজটা মুছে ফেলবে?নাকি রেখে দেবে?শেষ পর্যন্ত সে মুছল না।কিছু একটা তাকে বারবার বলছিল—এই মেসেজটার সঙ্গে বড় কোনো রহস্য জড়িয়ে আছে।হঠাৎ তার চোখ পড়ল টেবিলের ওপর রাখা ছোট্ট কাগজটার দিকে।মেঘলার নম্বর।সে ফোনটা হাতে তুলে নিল।কল করবে?না করবে না?মিনিটখানেক দ্বিধার পর সে কল বাটনে চাপ দিল।রিং হচ্ছে...একবার...দুবার...তিনবার...তারপর ওপাশ থেকে খুব আস্তে একটা গলা ভেসে এল।— "হ্যালো..."গলাটা শুনেই
পর্ব ৩: রায় ভিলার দরজাআকাশটা আবার কালো হয়ে এসেছে।আরোহীর হাতে এখনও সেই ছোট্ট GPS ট্র্যাকার।স্ক্রিনে একটাই লোকেশন জ্বলছে—"রায় ভিলা"লোকেশনের নিচে লাল অক্ষরে লেখা—১২:০০:০০ঘড়িটা ধীরে ধীরে কমছে।১১:৫৯:৫৯...১১:৫৯:৫৮...আরোহী বুঝতে পারছিল না, এটা কীসের কাউন্টডাউন।ঠিক তখনই তার মনে হলো—কেউ যেন তার ঠিক ...আরও পড়ুনদাঁড়িয়ে আছে।সে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল।কেউ নেই।শুধু ভেজা রাস্তা...হাওয়ায় উড়তে থাকা শুকনো পাতা...আর দূরে কয়েকটা কাকের ডাক।"আমি কি সত্যিই ভয় পেতে শুরু করেছি?"—নিজেকেই প্রশ্ন করল সে।মোবাইলটা আবার কেঁপে উঠল।অচেনা নম্বর।সে সঙ্গে সঙ্গে রিসিভ করল।— "হ্যালো!"ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।তারপর খুব ধীরে একটি নারীকণ্ঠ—— "ওখানে যেও না..."আরোহীর বুক ধক করে উঠল।— "মেঘলা?"— "যদি আমাকে বিশ্বাস করো... তাহলে রায় ভিলায় যেও না।"— "তুমি
পর্ব ৪: আয়নার ওপাশেমোবাইলটা মেঝেতে পড়তেই টর্চের আলো ঘুরে গিয়ে থামল ঘরের এক কোণে।আরোহী স্থির।তার চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে...মেঘলা।কিন্তু...দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা আর বাইরে তার সঙ্গে কথা বলা মেঘলা—দুজন যেন এক নয়।এই মেঘলার মুখ ফ্যাকাশে।চোখের নিচে কালো দাগ।হাতে ...আরও পড়ুনএকটা কাটা দাগ থেকে ধীরে ধীরে রক্ত ঝরছে।তবু সে হাসার চেষ্টা করল।— "তুমি এলে কেন?"আরোহী ছুটে গিয়ে তার সামনে দাঁড়াল।— "তোমাকে নিয়ে যেতে।"মেঘলা মাথা নাড়ল।— "এখান থেকে কাউকে নিয়ে যাওয়া এত সহজ নয়।"ঠিক তখনই পেছন থেকে সেই লোকটার গলা ভেসে এল—— "দেখা হয়ে গেছে? এবার চল।"আরোহী ঘুরে দাঁড়াল।— "আপনি আসলে কে?"লোকটা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল,— "আমার নাম অর্ণব
পর্ব ৫: বন্ধ দরজার ওপাশেবৃষ্টির শব্দটা যেন আরও ভারী হয়ে উঠেছে।রায় ভিলার দ্বিতীয় তলার করিডোরে দাঁড়িয়ে আরোহীর মনে হচ্ছিল, সময় যেন ধীরে ধীরে থেমে যাচ্ছে।তার হাতে এখনও সেই পুরোনো ছবিটা।ছবির নিচে লেখা ভবিষ্যতের তারিখটা বারবার তার চোখের সামনে ভেসে ...আরও পড়ুনআগস্ট, ২০২৬।সে ধীরে ধীরে ছবিটা ভাঁজ করে ব্যাগে রাখল।মেঘলা তার দিকে তাকিয়ে বলল,— "আরোহী... আমার সঙ্গে এসো।"— "কোথায়?"— "সব প্রশ্নের উত্তর যেখানে লুকিয়ে আছে।"অর্ণব তৎক্ষণাৎ সামনে এসে দাঁড়াল।— "না।"তার গলায় এবার আদেশের সুর।— "ও ঘরটা খোলা যাবে না।"মেঘলা ঠান্ডা চোখে অর্ণবের দিকে তাকাল।— "চার বছর ধরে তুমিই তো ওটা বন্ধ করে রেখেছ। আর কতদিন?"অর্ণব চোখ নামিয়ে ফেলল।কয়েক মুহূর্ত পরে সে