রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। রতনপুর স্টেশন অদ্ভুতভাবে ফাঁকা। দিনের সেই কোলাহল নেই, নেই লোকজনের ভিড়, শুধু দূরে কোথাও একটা ট্রেনের হুইসেল মাঝেমধ্যে শোনা যাচ্ছে। আমি, অর্ণব, অফিস থেকে ফিরছিলাম। আজ কাজের চাপে দেরি হয়ে গেছে, আর বাড়ি ফিরতে হলে এই শেষ লোকাল ট্রেনটাই ধরতে হবে। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছিল—যেন কিছু একটা ঠিক নেই। বাতাস ভারী, আলো জ্বলছে ঠিকই, কিন্তু সেই আলোয় উষ্ণতা নেই, বরং একটা ঠান্ডা নিস্তব্ধতা চারদিকে ছড়িয়ে আছে। প্ল্যাটফর্মের এক কোণে একটা চায়ের দোকান খোলা ছিল। ভাবলাম, এক কাপ চা খেয়ে নিই। দোকানের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই দোকানদার আমার দিকে তাকাল—তার চোখে একটা অদ্ভুত দৃষ্টি,