নিষিদ্ধ ভালোবাসা Part 19: “অপেক্ষার শেষ প্রান্তে”এক বছর কেটে গেছে।সময় অনেক কিছু বদলে দেয়—এ কথা সবাই বলে।কিন্তু কিছু অনুভূতি আছে, যেগুলো সময় শুধু আরও গভীর করে।ঈশা এখন কলকাতায় একটি প্রকাশনা সংস্থায় কাজ করে। ছোটবেলা থেকে লেখার যে স্বপ্ন ছিল, ধীরে ধীরে সেটাই তার পরিচয় হয়ে উঠছে। তার কবিতা এখন বিভিন্ন ম্যাগাজিনে ছাপা হয়।তবু প্রতিটি নতুন কবিতার প্রথম পাঠক হওয়ার কথা ছিল একজনের।মেঘলার।অন্যদিকে, মেঘলা সত্যিই বিদেশে চলে গিয়েছিল মামার কাছে।নতুন দেশ।নতুন ভাষা।নতুন মানুষ।কিন্তু প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে সে এখনও ফোনের গ্যালারিতে ঈশার একটা পুরোনো ছবি দেখে।ছবিটা কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দিন তোলা।দুজনের মুখে হাসি।কিন্তু চোখে হাজারটা অজানা কথা।এই এক বছরে তারা খুব কম